Home / আন্তর্জাতিক / এবার পবিত্র কাবা শরীফের ছবিতে এডিট করে শিব মূর্তির ছবি

এবার পবিত্র কাবা শরীফের ছবিতে এডিট করে শিব মূর্তির ছবি

এবার পবিত্র কাবা শরীফের ছবিতে এডিট করে শিব মূর্তির ছবি বসিয়ে সরাসরি মাদ্রাসার গেটে লাগিয়ে দিয়ে গেলো কে বা কাহারা ।

আজ আবারও শেষ রাতে বি-বাড়িয়ার জামিয়া সিরাজীয়া দারুলউলুম ভাদুঘর মাদরাসার দুটি গেইটে কে বা কাহারা বাহির থেকে তালা লাগিয়ে দেয় । শুধু তাই নয় ! পবিত্র #কাবাঘরের ছবির উপর #মূর্তির ছবি বসিয়ে মাদ্রাসার গেটের সামনে তোড়নে লাগিয়ে দিয়ে যায় (নাউজুবিল্লাহ) ।

তাহাজ্জুদ পড়তে উঠে গেইট তালাবন্ধ দেখে ছোট্ট ছাত্ররা হাউমাউ করে কেঁদে উঠে। কিছুক্ষণ পর মুসল্লীগণ জমায়েত হতে থাকেন এবং উত্তেজনাবৃদ্ধি পেতে থাকে। উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে ফজর নামাজের পর আল্লামা মুনিরুজ্জামান সিরাজী মুসল্লিদেরকে শান্ত হবার অনুরোধ করেন এবং প্রশাসনকে অবগত করেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসলে হচ্ছেটা কি ?
কারা এই সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সৃষ্টি করতে চাচ্ছে ?
কেনই বা বারবার পবিত্র কাবা শরীফের ছবিতে এডিট করে শিব মূর্তির ছবি বসানো হচ্ছে ? ফেসবুকের পোস্ট নিয়ে হামলা মামলার পরও এরা থামছেনা কাদের শক্তির উপর ভর করে ?

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মুসলমানরা তো খুব বেশী কিছু চায়নি !
দোষী ব্যাক্তিকে গ্রেপ্তার করে শাস্তির ব্যাবস্থার দাবী জানিয়েছিল, কিন্তু প্রশাসন তা না করে উল্টো গ্রেপ্তার করেছিলো ৬ জন মুসলমানকে । হিন্দুদের বাড়িতে ও মন্দিরে ভাঙ্গচুরে বাধার দেয়াল হয়েও দাঁড়িয়েছিলো মুসলমান তরুনরা । হিন্দুদেরকে হামলা থেকে রক্ষা করতে এলাকার মুসলিম যুবকরা মারও পর্যন্ত খেলো , তারপর ও কেন আবার নতুন করে এসব হচ্ছে ?

প্রশাসন কেন চুপ ?
নাসিরনগরের সাবেক ওসি আব্দুল কাদেরকে প্রত্যাহার করে নতুন হিন্দু ওসি নিয়োগ দেওয়ার কারন কি ? কাদের স্বার্থে প্রশাসন নীরব থেকে বদলা বদলির নাটক খেলছে ?

সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন করে করে যারা মুখে ফেনা তুলতেন, সংখ্যালঘুরা ক্ষমতায় থাকলে যাদের সবচেয়ে বেশী লাভ, এই দেশ ভারত হয়ে গেলে যারা আনন্দে বুক ফুলিয়ে হাঁটবে ভাবছে তারাই হল সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার মুল সৃষ্টিকারী । এরা চায় এ দেশে হিন্দু মুসলিম যুদ্ধ লেগে এই দেশে একটি অরাজকতা সৃষ্টি করতে ।

খবরদার !! যে বা যাহারাই এসব করছেন না কেন, এসব বন্ধ করুন ।
যদি তৃতীয় পক্ষ কেউ করে থাকেন তবে তাদের বলছি শেষ পর্যন্ত হিন্দু ও মুসলমানের যৌথ মার খেয়ে মরতে হবে ।
আর যদি হিন্দুরা করে থাকেন তবে তাদেরকেও বলছি, এ দেশের ৯৫% মুসলমানকে রাগাবেন না, এরা খুব শান্তভাবে গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন আছে, দয়া করে এদেরকে জাগাবেন না, এদের রক্ত গরম করে দিবেন না, তাহলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া তো দুরের কথা পালানোর জায়গাও খুজে পাবেন না ।
মুসলমানের ইতিহাস ঘেঁটে তারপর মুসলমানদের সাথে খেলতে আসুন ।

বিঃ দ্রঃ – মূর্তি বসানো ছবিটি পেইন্ট করে দেওয়া হল যাতে কিছুটা হলেও সবাই বুঝতে পারে , এই ধরনের ছবি প্রচার ঠিক নয় ।

বসিয়ে সরাসরি মাদ্রাসার গেটে লাগিয়ে দিয়ে গেলো কে বা কাহারা ।

আজ আবারও শেষ রাতে বি-বাড়িয়ার জামিয়া সিরাজীয়া দারুলউলুম ভাদুঘর মাদরাসার দুটি গেইটে কে বা কাহারা বাহির থেকে তালা লাগিয়ে দেয় । শুধু তাই নয় ! পবিত্র #কাবাঘরের ছবির উপর #মূর্তির ছবি বসিয়ে মাদ্রাসার গেটের সামনে তোড়নে লাগিয়ে দিয়ে যায় (নাউজুবিল্লাহ) ।

তাহাজ্জুদ পড়তে উঠে গেইট তালাবন্ধ দেখে ছোট্ট ছাত্ররা হাউমাউ করে কেঁদে উঠে। কিছুক্ষণ পর মুসল্লীগণ জমায়েত হতে থাকেন এবং উত্তেজনাবৃদ্ধি পেতে থাকে। উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে ফজর নামাজের পর আল্লামা মুনিরুজ্জামান সিরাজী মুসল্লিদেরকে শান্ত হবার অনুরোধ করেন এবং প্রশাসনকে অবগত করেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসলে হচ্ছেটা কি ?
কারা এই সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সৃষ্টি করতে চাচ্ছে ?
কেনই বা বারবার পবিত্র কাবা শরীফের ছবিতে এডিট করে শিব মূর্তির ছবি বসানো হচ্ছে ? ফেসবুকের পোস্ট নিয়ে হামলা মামলার পরও এরা থামছেনা কাদের শক্তির উপর ভর করে ?

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মুসলমানরা তো খুব বেশী কিছু চায়নি !
দোষী ব্যাক্তিকে গ্রেপ্তার করে শাস্তির ব্যাবস্থার দাবী জানিয়েছিল, কিন্তু প্রশাসন তা না করে উল্টো গ্রেপ্তার করেছিলো ৬ জন মুসলমানকে । হিন্দুদের বাড়িতে ও মন্দিরে ভাঙ্গচুরে বাধার দেয়াল হয়েও দাঁড়িয়েছিলো মুসলমান তরুনরা । হিন্দুদেরকে হামলা থেকে রক্ষা করতে এলাকার মুসলিম যুবকরা মারও পর্যন্ত খেলো , তারপর ও কেন আবার নতুন করে এসব হচ্ছে ?

প্রশাসন কেন চুপ ?
নাসিরনগরের সাবেক ওসি আব্দুল কাদেরকে প্রত্যাহার করে নতুন হিন্দু ওসি নিয়োগ দেওয়ার কারন কি ? কাদের স্বার্থে প্রশাসন নীরব থেকে বদলা বদলির নাটক খেলছে ?

সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন করে করে যারা মুখে ফেনা তুলতেন, সংখ্যালঘুরা ক্ষমতায় থাকলে যাদের সবচেয়ে বেশী লাভ, এই দেশ ভারত হয়ে গেলে যারা আনন্দে বুক ফুলিয়ে হাঁটবে ভাবছে তারাই হল সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার মুল সৃষ্টিকারী । এরা চায় এ দেশে হিন্দু মুসলিম যুদ্ধ লেগে এই দেশে একটি অরাজকতা সৃষ্টি করতে ।

খবরদার !! যে বা যাহারাই এসব করছেন না কেন, এসব বন্ধ করুন ।
যদি তৃতীয় পক্ষ কেউ করে থাকেন তবে তাদের বলছি শেষ পর্যন্ত হিন্দু ও মুসলমানের যৌথ মার খেয়ে মরতে হবে ।
আর যদি হিন্দুরা করে থাকেন তবে তাদেরকেও বলছি, এ দেশের ৯৫% মুসলমানকে রাগাবেন না, এরা খুব শান্তভাবে গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন আছে, দয়া করে এদেরকে জাগাবেন না, এদের রক্ত গরম করে দিবেন না, তাহলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া তো দুরের কথা পালানোর জায়গাও খুজে পাবেন না ।
মুসলমানের ইতিহাস ঘেঁটে তারপর মুসলমানদের সাথে খেলতে আসুন ।

বিঃ দ্রঃ – মূর্তি বসানো ছবিটি পেইন্ট করে দেওয়া হল যাতে কিছুটা হলেও সবাই বুঝতে পারে , এই ধরনের ছবি প্রচার ঠিক নয় ।

বসিয়ে সরাসরি মাদ্রাসার গেটে লাগিয়ে দিয়ে গেলো কে বা কাহারা ।

আজ আবারও শেষ রাতে বি-বাড়িয়ার জামিয়া সিরাজীয়া দারুলউলুম ভাদুঘর মাদরাসার দুটি গেইটে কে বা কাহারা বাহির থেকে তালা লাগিয়ে দেয় । শুধু তাই নয় ! পবিত্র #কাবাঘরের ছবির উপর #মূর্তির ছবি বসিয়ে মাদ্রাসার গেটের সামনে তোড়নে লাগিয়ে দিয়ে যায় (নাউজুবিল্লাহ) ।

তাহাজ্জুদ পড়তে উঠে গেইট তালাবন্ধ দেখে ছোট্ট ছাত্ররা হাউমাউ করে কেঁদে উঠে। কিছুক্ষণ পর মুসল্লীগণ জমায়েত হতে থাকেন এবং উত্তেজনাবৃদ্ধি পেতে থাকে। উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে ফজর নামাজের পর আল্লামা মুনিরুজ্জামান সিরাজী মুসল্লিদেরকে শান্ত হবার অনুরোধ করেন এবং প্রশাসনকে অবগত করেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসলে হচ্ছেটা কি ?
কারা এই সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সৃষ্টি করতে চাচ্ছে ?
কেনই বা বারবার পবিত্র কাবা শরীফের ছবিতে এডিট করে শিব মূর্তির ছবি বসানো হচ্ছে ? ফেসবুকের পোস্ট নিয়ে হামলা মামলার পরও এরা থামছেনা কাদের শক্তির উপর ভর করে ?

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মুসলমানরা তো খুব বেশী কিছু চায়নি !
দোষী ব্যাক্তিকে গ্রেপ্তার করে শাস্তির ব্যাবস্থার দাবী জানিয়েছিল, কিন্তু প্রশাসন তা না করে উল্টো গ্রেপ্তার করেছিলো ৬ জন মুসলমানকে । হিন্দুদের বাড়িতে ও মন্দিরে ভাঙ্গচুরে বাধার দেয়াল হয়েও দাঁড়িয়েছিলো মুসলমান তরুনরা । হিন্দুদেরকে হামলা থেকে রক্ষা করতে এলাকার মুসলিম যুবকরা মারও পর্যন্ত খেলো , তারপর ও কেন আবার নতুন করে এসব হচ্ছে ?

প্রশাসন কেন চুপ ?
নাসিরনগরের সাবেক ওসি আব্দুল কাদেরকে প্রত্যাহার করে নতুন হিন্দু ওসি নিয়োগ দেওয়ার কারন কি ? কাদের স্বার্থে প্রশাসন নীরব থেকে বদলা বদলির নাটক খেলছে ?

সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন করে করে যারা মুখে ফেনা তুলতেন, সংখ্যালঘুরা ক্ষমতায় থাকলে যাদের সবচেয়ে বেশী লাভ, এই দেশ ভারত হয়ে গেলে যারা আনন্দে বুক ফুলিয়ে হাঁটবে ভাবছে তারাই হল সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার মুল সৃষ্টিকারী । এরা চায় এ দেশে হিন্দু মুসলিম যুদ্ধ লেগে এই দেশে একটি অরাজকতা সৃষ্টি করতে ।

খবরদার !! যে বা যাহারাই এসব করছেন না কেন, এসব বন্ধ করুন ।
যদি তৃতীয় পক্ষ কেউ করে থাকেন তবে তাদের বলছি শেষ পর্যন্ত হিন্দু ও মুসলমানের যৌথ মার খেয়ে মরতে হবে ।
আর যদি হিন্দুরা করে থাকেন তবে তাদেরকেও বলছি, এ দেশের ৯৫% মুসলমানকে রাগাবেন না, এরা খুব শান্তভাবে গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন আছে, দয়া করে এদেরকে জাগাবেন না, এদের রক্ত গরম করে দিবেন না, তাহলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া তো দুরের কথা পালানোর জায়গাও খুজে পাবেন না ।
মুসলমানের ইতিহাস ঘেঁটে তারপর মুসলমানদের সাথে খেলতে আসুন ।

বিঃ দ্রঃ – মূর্তি বসানো ছবিটি পেইন্ট করে দেওয়া হল যাতে কিছুটা হলেও সবাই বুঝতে পারে , এই ধরনের ছবি প্রচার ঠিক নয় ।

সূত্র ঃfacebook অনলাইন

প্রতি মুহুর্তের খবর পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *