Home / অর্থনীতি / যমুনা ব্যাংকে বিদ্যুৎ বিল পরিশোদের সময় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করুণ

যমুনা ব্যাংকে বিদ্যুৎ বিল পরিশোদের সময় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করুণ

সজিব খানঃ যমুনা ব্যাংক বা যেকোনো ব্যাংকে বিদ্যুৎ বিল দেয়ার সময় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করুণ। অনেক সময় ব্যাংক কর্মকর্তারা বিদ্যুৎ বিল নেবার সময় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিল দেয়া শর্তেও জরিমানা সহ অতিরিক্ত অর্থ নিয়ে নিচ্ছে। 
অনেক সময় এই বিষয়টি গ্রাহকদের আমলে আসলে অভিযোগ করা হলে তারা ভুল হয়েছে বলে জরিমানা হিসেবে নেয়া অতিরিক্ত অর্থ ফেরত দিচ্ছে । আবার কখনো কখনো পুরো ব্যাপারটা অস্বীকার করছে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে আসলে কি তারা অনিচ্ছাকৃতভাবে ভুল করছে নাকি পুরো ব্যপারটা ইচ্ছাকৃতভাবে ঘটছে???

ব্যপারটা যদি ইচ্ছাকৃতভাবে হয়ে থাকে তাহলে একজনের কাছ থেকে যদি জরিমানা নেয়া হয় ৫০ থেকে ১০০০ টাকা বা তার বেশি। তাহলে এমন ৫০জন বা ১০০ জনের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ নিলে তবে টাকার অংকটা অনেক বড় হয়ে দাড়ায়। আর এই টাকা কার পকেটে যায়??? অবশ্যই পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি নিয়মের বাহিরে ১টাকাও ভোগ করবেনা।

আর যদি সত্যিই অনিচ্ছাকৃতভাবে হয়ে থাকে তাহলে যমুনা ব্যাংক কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালনে গাফিলতির প্রমান পায়। দায়িত্ব পালনে তাদের আরও সচেতন হওয়া উচিত যাতে এই ধরনের ভুল না হয়।

তাই যমুনা ব্যাংক বা যেকোনো ব্যাংকে বিদ্যুৎ বিল দেয়ার সময় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করুণ। যত টাকা বিল হয়েছে তার বেশি ১টাকাও প্রদান করবেন না। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিল প্রদান করলে জরিমানা দেয়া থেকে বিরত থাকুন। আর বিল পরিশোদ করার শেষ দিন যদি কোন সরকারী ছুটি বা ব্যাংক বন্ধ থাকে তাহলে পরবর্তী যেই দিন ব্যাংক খোলা থাকবে সেদিন আপনি জরিমানার অতিরিক্ত অর্থ দেয়া ছাড়াই বিল পরিশোদ করতে পারবেন।

উল্লেখ্য যেঃ গত ১৫/১২/২০১৬ইং তারিখে আমার আপন বড় বোন(মুনিয়া আক্তার) যমুনা ব্যাংকের রূপসী শাখায় বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে যান। বিল পরিশোদের শেষ সময় ১৭/১২/২০১৬ইং তারিখ থাকা শর্তেও তার কাছ থেকে জরিমানা সহ অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হয়। তিনি জরিমানা প্রদানে অনীহা প্রকাশ করা শর্তেও জরিমানা দেয়া লাগবে বলে তার কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ নেয়া হয়। পাশাপাশি আরও একটি মহিলার কাছ থেকেও নাকি অতিরিক্ত অর্থ নেয়া হয়েছে। পরে সে আমাকে বিষয়টি বাসায় এসে জানানোর পর আমি আমি ব্যাংকে গিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিল দেয়া শর্তেও কেনো জরিমানা নেয়া হল জিজ্ঞেস করায় তারা বিষয়টি অস্বীকার করেন এবং তাদের কম্পিউটারে তথ্য চেক করে জানান যে অতিরিক্ত বিল নেয়া হয়নি। তাহলে মোট বিলের বদলে কেনো বিলম্ব মাশুল সহ সর্বমোট বিলের ঘরে কেন টিকি চিহ্ন দেয়া হয়েছে জিজ্ঞেস করায় তারা বলেন “টিক দেয়ার সময় কলমের দাগ নিচে চলে গেছে, কিন্তু বিলম্ব মাশুল আমরা নেয়নি”

মোঃ সজিব খান
যুগ্ম-সম্পাদক, বিডিটুডেস ডট কম
প্রচার সম্পাদক, ঢাকা মহানগর, অনলাইন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ।
সদস্য, বাংলাদেশ অনলাইন মিডিয়া এসোসিয়েশন।

প্রতি মুহুর্তের খবর পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *