Home / জাতীয় / শ্রীনগরে দৈনিক যায়যায় কাল প্রতিনিধির কাছে সন্ত্রাসীদের মোটা অংকের চাঁদা দাবী

শ্রীনগরে দৈনিক যায়যায় কাল প্রতিনিধির কাছে সন্ত্রাসীদের মোটা অংকের চাঁদা দাবী

৬ষ্ঠ শ্রেণির স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা
শ্রীনগরে দৈনিক যায়যায় কাল প্রতিনিধির কাছে
সন্ত্রাসীদের মোটা অংকের চাঁদা দাবী

শাজাহান খান: মুন্সীগঞ্জ শ্রীনগরে স্কুল থেকে বাড়ী যাওয়ার পথে ৬ষ্ঠ শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেছে এক বখাটে। স্কুল ছাত্রীর ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে ও ধর্ষণ চেষ্টাকারীর বয়স কম হওয়ার কারণে উভয়ের বাবা-মা ঘটনাটি সামাজিক ভাবে এলাকার স্থানীয়দের নিয়ে মিমাংসা করেন। স্থানীয়রা জানায়, গত রবিবার বেলা ১১ টার দিকে ওই এলাকার ৬ষ্ঠ শ্রেণির স্কুল ছাত্রী ছুটি নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে ব্রাহ্মন খোলা নামক এলাকায় নির্জন রাস্তায় একা পেয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে একই এলাকার মো ঃ স্বপনের ছেলে সেকান্দার (১৪)। এসময় ওই ছাত্রীর চিৎকার শুনে আশ পাশের লোকজন ছুটে যায়। ঐ সময় দৈনিক যায়যায় কাল পত্রিকার শ্রীনগর প্রতিনিধি শহিদ শেখ (পাখি) নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন। লোক মুখে খবর শুনে তিনিও ঘটনা স্থলে যান। ছেলে ও মেয়ের বয়স কম হওয়াতে মানবিক দিক বিবেচনা করে এলাকাবাসী সহ সাংবাদিক পাখি তাদের উভয়কে স্থানীয় অবসর প্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা নূরুল ইসলামের উপস্থিতিতে তার বাবা-মা’র হাতে তুলে দিয়ে ঘটনাটি খুলে বলেন। পরদিন আনুমানিক রাত ৮ টার দিকে ৭/৮ জনের একটি সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী দল দৈনিক যায়যায় কাল প্রতিনিধির ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যেয়ে হুমকি প্রদান করে বলেন, তুই কেমন সাংবাদিক, পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করলি না কেন? ভাল মানুষ সাজতে চাও, এখানে ব্যবসা করতে হলে আমাদের টাকা দিতে হবে। এক পর্যায়ে তার মোটা অংকের চাঁদা দাবী করেন এবং টাকা না দিলে বিভিন্ন অখ্যাত সাংবাদিকের নাম উল্লেখ করে তাদের পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করে হেয় প্রতিপন্ন করার হুমকি দেন। পরবর্তীতে তারা মোবাইলে দৈনিক যায়যায় কাল প্রতিনিধির ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ছবি তুলেন। একপর্যায়ে টাকা না পেলে বিপদ আছে বলে সাশিয়ে চলে যায় সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী দলটি। নিজের মেয়ের ভবিষ্যতের কথা ও পারিবারিক সম্মানের কথা চিন্তা করে হাতে গোনা কয়েক জনকে নিয়ে বিষয়টি মিমাংসা করলেও। কিছু অসৎ ব্যক্তি টাকা না পেয়ে ছাত্রীসহ তার পরিবারকে নানা ধরণের বিব্রতকর অবস্থায় ফেলছেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানা যায়। এ ব্যপারে তন্তর ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নং ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুল আলী ও ৫ নং ওয়ার্ডের সদস্য বাদল বলেন, আমরা সালিশের সিদ্ধান্ত দেইনি। তারা উভয় পক্ষ নিজেরাই মিমাংসা করেছেন। আব্দুল আলী মেম্বার ধর্ষণ চেষ্টার বিষয়টি স্বীকার করলেও সালিশে তার উপস্থিতির বিষয়টি অস্বীকার করেন। তবে মঙ্গলবার দুপুরে শ্রীনগর থানার কর্তব্যরত কর্মকর্তা এসআই তাজউদ্দিন ওই স্কুল ছাত্রীর বাড়ীতে উপস্থিত হলে স্কুল ছাত্রী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। এ ব্যাপারে সিরাজদিখান থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল কালামের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি জানান, কোন অভিযোগ হয়নি বিষয়টি সম্পর্কে আমি কিছু জানিনা সুতরাং আমি কি বক্তব্য দিব।

 

প্রতি মুহুর্তের খবর পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *