Home / মুন্সিগঞ্জের খবর / লৌহজং উপজেলা / বেদে সম্প্রদায়ের পুনর্বাসনের জায়গা সমাজ কল্যাণ অধিদপ্তর সচিবের পরিদর্শন এলাকা বাসির ক্ষোভ

বেদে সম্প্রদায়ের পুনর্বাসনের জায়গা সমাজ কল্যাণ অধিদপ্তর সচিবের পরিদর্শন এলাকা বাসির ক্ষোভ

মোঃ রুবেল ইসলাম তাহমিদ, (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধিঃমুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের তিনটি ইউনিয়নে চার হাজার বেদে পরিবার বসবাস করছে। বেদে নামটির অবজ্ঞাসূচক ডাক বাইদ্যা (হাতুড়ে ডাক্তার) পরিমার্জিত বৈদ্য (চিকিৎসক) থেকে উৎপত্তি। আরকান রাজ্যের মনতাং থেকে এসেছে বিধায় প্রথমদিকে এদেরকে মনতাং বলা হলেও কালের পরিবর্ত্বে এরা চিকিৎসক অর্থাৎ কবিরাজিতে সম্পৃক্ত হওয়ায় বৈদ্য বাইদ্যা থেকে তারা বেদে উপাধি পায় ।এরা নৌকায় ঘুরে বেড়ায় গ্রাম থেকে গ্রাম, বন্দর থেকে বন্দরে। মাঝে মধ্যে স্থলে নোঙর ফেলে টোড়ী বা তাঁবুতেও বাস করে।
বাংলাদেশে বেদে জনগোষ্ঠীর সংখ্যা কত এর পরিসংখ্যান জানা নেই কারো ।
। লৌহজংয়ের খরিয়াগ্রামে ,বেদে সম্প্রদায়ের মহল যোগ্য
এলাকায় ৪৫বছরে র বসবাস নেইকোন সরকারী উন্নয়ের লক্ষ্যে পরিবারের জীবনমান,উন্নয়ের লক্ষ্যে, নেই বাচ্চাদের শিক্ষা প্রতিস্থান ও ৬০ ভাগ লোকের মাথা ঠোকার বাসস্থান নেই একটি করব স্থান নেই ঈদের নামাজের জন্য।মুশুল্লিদের ঈদগাহ মাঠ,
কোন রকম এক বেলা খেতে পাইলে অন্য বেলায় নাখাওয়ার মতোই চিন্তা রেখে দিনযাপন করতে হয় ।তারি ধারা বাহিততায় এ উপজেলায় গোয়ালী মান্দ্রা বেদে সম্প্রদায়ের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে গত বছর আয়োজিত এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনামন্ত্রী ”আ হ ম মোস্তফা কামাল বলেন, ‘লৌহজংয়ের তিনটি ইউনিয়নের চার হাজার বেদে পরিবারের জীবনমান উন্নয়ের লক্ষ্যে এখানে নেয়া হবে পাইলট প্রকল্প। এখান থেকে শুরু করে সারাদেশে এ ধরনের প্রকল্প নেয়া হবে।’ বেদে সম্প্রদায়ের জীবনমান উন্নয়নের কাজ করছে সরকার। তিনিআরো -বলেছেন,বঙ্গবন্ধু এই দেশেকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতেন আর সেই স্বপ্নএক বাস্তবে রুপ দিচ্ছেন তারই কন্যা দেশের সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ থেকে আগামী ১৫ বছরের মধ্যে আমরা একটি সফল উন্নত জাতীতে পরিনিত হবো। আমি এখনো মন্ত্রীহতে পারিনি যেদিন এই বেদে সম্প্রদায়ের লোকদের উন্নত জাতীতে পরিনিত করতে পারবো সেদিনই আমি মন্ত্রী হবো। আমার প্রথম কাজ হবে লৌহজংয়ের বেদে সম্প্রদায়ের উন্নত জাতি হিসাবে তৈরি করা।
আজ শনিবার দুপুর ১২ টায় মুন্সীগঞ্জর লৌহজং উপজেলার গোয়ালিমান্দ্রা গ্রামের সড়কের পাষে, বেদে সম্প্রদায়ের পুনর্বাসনের জায়গা দেখার জন্য আসেন সমাজ কল্যাণ অধিদপ্তর সচিব মোঃ জিল্লার রহমান কারপাশা,ও মৌছামান্দ্রা এলাকা পরিদর্শন করেন থাথে ছিলেন, মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক শায়লা ফারজানা, লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মনির হোসেন, উপজেলা চেয়ারম্যান ওসমান গনি তালুকদার ও সরকারী বেসরকারী কর্মকর্তা বৃন্দ। এ সময় কারপাশা,এলাকা বাসির পক্ষ থেকে শত বসর আগের জমি রক্ষার দাবীতে
ইউনিয়নের সকল এলাকাবাসি সহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুুষ অংশ নিয়ে। ক্ষোভ প্রকাস করে বলেন তারা । এখানে শত শত বছর ধরে বসবাস করে আসছি আমরা । এখানে
বেদে সম্প্রদায়ের পুনর্বাসনের জায়গা গড়ে উঠলে ও ভরাট হয়ে গেলে এলাকার পানি সমস্যা যেমন বেরে যাবে পাশাপাশি পরিবেশের ক্ষতি হওয়ার আশংকা তো রয়েছে।
আমাদের পরিবেশ বর্তমান পরিস্থিতিতে থাকবে না ’ বেদে সম্প্রদায়ের জীবনমান অন্যরকম শ্রেনী সমাজের । তাই তাদের কে আলাদা যায়গায় পুনর্বাসনের জায়গা গড়ে দেয়া হউক এ দাবী জানান তারা । এ সময় লৌহজং -গোয়ালিমান্দ্রা সড়ক প্রায় ৩০ মিনিট বন্ধ থাকে।

 

প্রতি মুহুর্তের খবর পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *