(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({ google_ad_client: "ca-pub-2968137545784960", enable_page_level_ads: true });
Home / বিনোদন / সোশ্যাল মিডিয়ায় আসক্ত সন্তান? খুব সাবধান!

সোশ্যাল মিডিয়ায় আসক্ত সন্তান? খুব সাবধান!

image_128125_0

 

আপনার সন্তান দিনের অনেকটা সময় ইন্টারনেটে চোখ রেখে কাটায়? হোয়াটসঅ্যাপ আর ফেসবুকেই মজে থাকে? তাহলে এখনই সাবধান হয়ে যান, না-হলে বিপদ আসন্ন। আপনার অজান্তেই সন্তান মানসিক রোগে জর্জরিত হয়ে যাচ্ছে। আপনি টেরও পাচ্ছেন না। যেসব কিশোর-কিশোরীরা দিনে ২ ঘণ্টার বেশি ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ-এর মতো সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে সময় কাটায়, তাদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা বেশি। সাম্প্রতিক সমীক্ষায় উঠে এসেছে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য।

সম্প্রতি কিশোর বয়সে আত্মহত্যা বাড়ার কারণ নিয়ে একটি সমীক্ষা চালান কানাডার একদল বিজ্ঞানী। সমীক্ষার রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, কিশোর বয়সে আত্মহত্যার অন্যতম কারণ সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট। যে সব কিশোর-কিশোরীরা দিনে ২ ঘণ্টার বেশি ইন্টারনেটে কাটায়, তাদের মধ্যে দ্রুত মানসিক অবসাদ দেখা দেয়। সন্তানের এই সমস্যার টের পান না মা-বাবারা। এবং মানসিক অবসাদই তাদের আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়িয়ে দেয়।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, কিশোর বয়সে মনেরও গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হয়। এই সময়টা তাই খুবই স্পর্শকাতর। ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সি প্রায় ১ হাজার স্কুল পড়ুয়ার উপর সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে, ফেসবুক, টুইটার, ইন্সস্টাগ্রাম-এর সোশ্যাল মিডিয়া তাদের মনের উপর অনেকটা প্রভাব বিস্তার করেছে। এদের মধ্যে মানসিক অবসাদ ও উদ্বেগ বাড়ছে। দিনে ২ ঘণ্টার বেশি সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে সময় কাটানো স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যে নিজেকে শেষ করে দেওয়ার প্রবণতাও বেশি।

গবেষকদলের এক সদস্যের কথায়, ‘যেহেতু সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট বর্তমান জীবনের একটা অঙ্গ হয়ে গিয়েছে, বিশেষ করে শিশু ও কিশোরদের মধ্যে, তাই মা-বাবাদের অবিলম্বে সচেতন হওয়া উচিত। শিশু ও কিশোররা যে সময়টা সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে কাটাচ্ছে, সেই সময়টাই তারা যদি নিজেদের বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে মুখোমুখি আড্ডা দিয়ে কাটায়, তাহলে মানসিক সমস্যার ভয় থাকে না।’
সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, যে সব ব্যক্তিরা দিনের বেশির ভাগ সময় মোবাইল ফোনে ইন্টারনেটে মগ্ন থাকেন, তাঁদের অচিরেই গ্রাস করে মানসিক অবসাদ। জীবনের বাস্তব সমস্যাগুলি ভুলে থাকতেই তাঁরা স্মার্টফোনে সময় কাটাতে পছন্দ করেন। – সূত্র : এই সময়

 

প্রতি মুহুর্তের খবর পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *