(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({ google_ad_client: "ca-pub-2968137545784960", enable_page_level_ads: true });
Home / অন্যান্য / ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা

ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা

আদেশ নামা সূত্রে জানাযায়, ওই কিশোরী ২২ ধারা জবানবন্দীতে জানান, গত ৫/১১/২০১৭ইং রবিবার দুপুরে কোলাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের কম্পিউটার উদ্যোক্তা মলি চেয়ারম্যান মীর লিয়াকত আলীর বিশ্রাম কক্ষে রেখে আসে। চেয়ারম্যান বিশ্রামাগারের দরজা বন্ধ করে ভয়ভিতী দেখিয়ে জোরপূর্বক ১৫ মিনিট ধর্ষন করে। চেয়ারম্যান ধর্ষন করে চলে যাওয়ার পরে ইউপি হোল্ডিং প্লেট বিতরণকারী সাজিত (২৫) দেখে ফেলে সাজিতও মানসম্মানের ভয় দেখিয়ে ধর্ষন করে ও ছবি তোলে রাখে। ধর্ষনের স্বীকার ওই কিশোরী উদ্যোক্ত মলির কাছে বিষয়টি জানানোর পরে মলি তাকে এঘটনার বিষয়ে কাউকে না বলার জন্য ভয়ভিতী দেখায়।

সুমন হোসেন শাওন, ষ্টাফ রিপোর্টারঃ মুন্সীগঞ্জ সিরাজদিখানে এক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী হয়েছে। উপজেলার কোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মীর লিয়াকত আলীর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন রাষ্ট্র পক্ষের মালায় (মামলা নং-১০/২০১৯) গত ২০ মে ২০১৯ইং তারিখে সোমবার তার গ্রেফতারী পরোয়ানার আদেশ দেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল মুন্সীগঞ্জ (সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মোঃ জাকির হোসেন।

এবং চেয়ারম্যান প্রভাবশালী তার কিছু করতে পারবে না বলে চুপ থাকতে বলে। সাজিত নগ্ন ছবি প্রকাশ করার কথা বলে প্রায় সময় জরিয়ে ধরতো। ঘটনার আট মাস পরে ওই কিশোরী ধর্ষনের একটি ভিডিও ফোটেজ ফেইসবুকে ছেড়ে দেয় সাজিত। এর পরে এলাকায় জানাজানি হলে পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। আদেশ নামায় আরো জানাযায়, ঘটনা জানাজানি হলে সিরাজদিখান থানায় কিশোরীর পরিবার অভিযোগ করলে পুলিশ চেয়ারম্যানকে বাদ দিয়ে সাজিদ ও মলির বিরুদ্ধে মামলা নেয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চেয়ারম্যানকে বাদ দিয়ে চার্জশীট দেয়। এতে করে বাদী পক্ষ নারাজী দেয়। এরি ধারাবাহিকতায় ২২ ধারায় জবানবন্দী দেয় ধর্ষনের স্বীকার ওই কিশোরী।ন্যায় বিচারের সার্থে আসামী মীর লিয়াকত আলীর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধন/২০০৩) এর ৯(১)/৩০ ধারা অনুযায়ী আমলে নিয়ে মীর লিয়াকত আলীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি হয়।

উল্লেখ্য, ওই কিশোরী ধর্ষনের পূর্বে ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগতা মোঃ বাবু অসুস্থ্য থাকায় তার আপন ভাগনি মলি আক্তার ভারপ্রাপ্ত উদ্যোগতা হিসাবে কাজে যোগ দেয়। মলি আক্তারের পরিচিত হওয়ায় ধর্ষনের স্বীকার কিশোরীকে প্রায় সময় কম্পিউটার শিখানোর কথা বলে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যেতো মলি। এসুযোগে মলির সহযোগিতায় চেয়ারম্যান মীর লিয়াকত আলী ওই কিশোরীকে ধর্ষন করে।

সিরাজদিখান থানার অফিসার ইন-চার্জ ফরিদ উদ্দিন জানান, আমরা লোক মুখে শোনেছি গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী হয়েছে। তবে আমরা এখনো হাতে পাইনি। ঈদের ছুটি বা এসপি অফিস থেকে আসতে দেরি হচ্ছে। আমরা হাতে পেলে অবশ্যই ব্যবস্তা নিবো।

প্রতি মুহুর্তের খবর পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *