Breaking News
Home / শ্রীনগর প্রতিদিন / ঐতিহ্যের সোপানে ভাগ্যকুল স্কুল।

ঐতিহ্যের সোপানে ভাগ্যকুল স্কুল।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মুন্সীগঞ্জ জেলার ঐতিহ্যবাহী একটি সেরা বিদ্যাপীঠ ভাগ্যকুল হরেন্দ্রলাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ। প্রবাহমান পদ্মার কুল ঘেঁষে ১৯০০ সালে তৎকালীন জমিদার হরেন্দ্রলাল রায় কর্তৃক ভাগ্যকুলে স্কুলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। অবহেলিত জনপদে আলোকবর্তিকা হিসাবে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে চলছে জেলার ঐতিহ্যবাহী ভাগ্যকুল হরেন্দ্রলাল স্কুল ও কলেজ। শতবর্ষী এই প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা অর্জন করে হাজার হাজার মেধাবী দেশে-বিদেশে সুনামের সাথে কর্ম সম্পাদন করে চলছে। ভাগ্যকুলের সচেতন মহলের চিন্তা চেতনা অনেকটা ঘিরে রয়েছে এই প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে। কালের আবর্তনে ধীরে ধীরে একটি টেকসই পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে আজকের ভাগ্যকুল স্কুল অ্যান্ড কলেজ। সময়ের সাথে অনেক শিক্ষার নিপূণ কারিগর প্রতিষ্ঠান প্রধানের দায়িত্ব পালন করেছেন। জাঁদরেল প্রধান শিক্ষক হিসাবে আলাউদ্দিন মাষ্টারের নাম এখনো স্মরনীয় হয়ে থাকলেও আজকের টেকসই ভিত্তিতে আনয়নে বর্তমান অধ্যক্ষ মোঃ মুজিবুর রহমান তালুকদারের কৃতিত্ব প্রশংসনীয়। অধ্যক্ষ মোঃ মুজিবুর রহমান তালুকদার প্রধানের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই পাবলিক পরীক্ষায় উপজেলায় বেশ কৃতিত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে এই বিদ্যাপীঠটি। ২০১০ সালের দিকে পরিচালনা পরিষদের সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পান বিশিষ্ট সমাজকর্মী মনির হোসেন মিটুল। তখন থেকেই শুরু হয় স্কুলের টেকসই উন্নয়ন। সভাপতি মনির হোসেন মিটুল ও অধ্যক্ষ মোঃ মুজিবুর রহমান তালুকদারের দায়িত্বশীলতায় শতবর্ষী স্কুলটিতে চালু করা হয় নিজস্ব ভবনসহ প্রাথমিক শাখা ও কলেজ শাখা, স্কুল মাঠ সম্প্রসারণ, স্কুল মার্কেট নির্মাণ, নিজস্ব অর্থায়নে নির্মাণ করা হয় দ্বিতল ব্যাংক ভবন সহ কয়েকটি পাঠদান কক্ষ। আইসিটিতে দক্ষতা অর্জনে ছাত্র- ছাত্রীদের জন্য রয়েছে শেখ রাসেল ডিজিটাল কম্পিউটার ল্যাব। খেলাধুলা, সংস্কৃতি, মননশীলতা যাচাই সহ জাতীয় প্রতিযোগিতায় প্রতিষ্ঠানটি এগিয়ে চলার ক্ষেত্রে সৃজনশীলতা বিকশিত হচ্ছে। ২০১৬ সালে উপজেলায় এইচএসসি ফলাফলে প্রথম স্থান অর্জন ও ২০১৮ সালে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা লাভ করেন ভাগ্যকুল হরেন্দ্রলাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ। একইসাথে ২০১৮ সালের শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধানের মর্যাদা লাভ করেন অধ্যক্ষ মোঃ মুজিবুর রহমান তালুকদার। প্রায় ২ হাজার ছাত্র-ছাত্রী ও ৫৪ জন শিক্ষকের পাঠের কলরবে পাঠ্যসূচীর বাইরেও মননশীল পাঠ আলো বিকাশে সমৃদ্ধ হবে এই প্রতিষ্ঠানটি এমনই আশা প্রকাশ করেন অধ্যক্ষ মোঃ মুজিবুর রহমান তালুকদার। বিদ্যালয়ে সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি টেকনিক্যাল বিদ্যা চালু করতে চান সভাপতি মনির হোসেন মিটুল। যাতে একজন শিক্ষার্থী হাতে কলমে বিদ্যা অর্জন শেষে সঠিক কর্মজীবনে প্রবেশ করতে পারেন।

প্রতি মুহুর্তের খবর পেতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *